সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২০, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
একনেকে ২৭৪৪ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন টাইগারদের মাঠে ফেরাতে দেশের আটটি ভেন্যু প্রস্তুত করেছে বিসিবি নগরকান্দার লস্করদিয়া কালীবাড়ী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড নগরকান্দায় আইফার পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ ফরিদপুরের শ্রমিকদের কল্যানে নিবেদিত প্রাণ গোলাম মোঃ নাছির সালথায় এক গাঁজা চাষী আটক! খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সহধর্মিণীর সুস্থতা কমনায় লন্ডনে দোয়া ও আলোচনা সভা। সালথায় “আমার রক্তে বাঁচুক প্রান” সেচ্ছায় রক্তদান সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দার বাঁশাগাড়ি-ভবুকদিয়া দেড় কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে ধীরগতি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এলাকাবাসী ও পথচারী সালথায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু

‘ডিসির সাহায্য পেয়ে খুশি অসহায় মমতাজ বেগম’

সোহাগ জামান, স্টাফ করোসপনডেন্ট / ৮৮ বার পঠিত
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০

সোহাগ জামান, স্টাফ করোসপনডেন্ট #
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আগুনে সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নর বাখুন্ডা পূর্বপাড়া গ্রামের স্বামীহারা ৭০ বছর বয়সী মমতাজ বেগম। থাকার একমাত্র ঘরটি হারিয়ে ছেলে-মেয়ে নাতি নিয়ে ছিলেন খোলা আকাশের নীচে। পরদিন আশে পাশের কয়েকজনের মমতাজকে শান্তনা দিলেও তাকে কোন সহায়তা দেননি। একপ্রকার না খেয়েই দিন পার করেন তিনি। শুক্রবার রাতে স্থানীয় এক ছাত্র জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে মমতাজকে সাহায্যের আবেদন জানান। কয়েক মিনিট পর জেলা প্রশাসক অসহায় মহিলাকে সাহায্য করার কথা ব্যক্ত করেন। শুক্রবার রাতেই জেলা প্রশাসকের তরফ থেকে মহিলাটিকে সাহায্য প্রদান করা হয়। দেয়া হয় দুই বান্ডিল ঢেউটিন, নগদ ৬ হাজার টাকা আর খাদ্য সামগ্রী। জেলা প্রশাসকের ত্রাণ পেয়ে খুশিতে কেঁদে ফেলেন মমতাজ বেগম। মমতাজ বেগম জানান, তার স্বামী মারা গেছে কয়েক বছর আগে। রিকশা চালিয়ে তার বড় ছেলে মনোয়ার ৫ ছেলে-মেয়ে নিয়ে সংসার চালান। আর ছোট ছেলে শামীম নির্মান শ্রমিকের কাজ করেন। তার সংসারে ৭ জন রয়েছে। তারা যে যার মতো আলাদা থাকেন। ছেলেদের কাছ থেকে কিছু নিয়ে কোন রকমে দিন কাটিয়ে দিচ্ছিলেন তিনি। এরমধ্যে আগুনে পুড়ে গেলে মাথা গোজার ঠাইটুকু হারান। হয়ে পড়েন একেবারেই নিঃস্ব। জেলা প্রশাসকের সাহায্য পেয়ে খুব খুশি মমতাজ। এজন্য প্রানখুলে দোয়া করেন তার জন্য। বলেন, ‘আমি তার যন্যি অনেক দোয়া করি’। ‘তার মতো ডিসি যে দেশের ঘরে ঘরে জন্ম নেয়, তাইলে আমাগোর মতো অসহায় মাইনষে বাইচ্যা থাকবো’।
জেলা প্রশাসক অতুল সরকার জানান, বাখুন্ডা এলাকার জনৈক ছাত্র সুমন তার ফেসবুক একাউন্টে একটি পোষ্ট দেন অসহায় মহিলাটিকে সাহায্য করার জন্য। তার সেই পোষ্ট দেখে দ্রুতই অসহায় মহিলাটিকে সাহায্য করেত রাতেই প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে দেয়া হয় মহিলাটির বাড়ীতে। তাকে সাধ্যমতো সাহায্য করা হয়েছে। দুই বান্ডিল টিন দেয়া হয়েছে ঘরটি মেরামত করার জন্য। নগদ কিছু আর্থিক সাহায্যও দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর